জলধি
/ কবিতা
/ ফয়সাল অমির তিনটি কবিতা
ফয়সাল অমির তিনটি কবিতা

নিষেধাজ্ঞা
আর এসো না এই জনশূন্য নদীর ধারে।
জল ভেসে যায়,সময় ধুয়ে।
অপেক্ষার হলুদ সমুদ্র থেকে বলছি,
আমার সূর্য ডুবেছে।
আমার রাত,
পাথরের ঘ্রাণ মিশে গেছে।
আর এসো না কখনো— নির্লিপ্ত, করুণ সময়ে।
আর এসো না এই জনশূন্য নদীর ধারে।
জল ভেসে যায়,সময় ধুয়ে।
অপেক্ষার হলুদ সমুদ্র থেকে বলছি,
আমার সূর্য ডুবেছে।
আমার রাত,
পাথরের ঘ্রাণ মিশে গেছে।
আর এসো না কখনো— নির্লিপ্ত, করুণ সময়ে।
খেরোখাতা
সব হিসেব শেষে যতোটা বুঝেছি -
তোমার যতো কষ্ট যেন আমি কেন্দ্রিক।
তোমার কান্নারেখা ঝরে পড়েছে মুখের সকল সীমানায়।
আমি হঠাৎ করেই আমার ব্যস্ততা ঘৃণা করছি আজ
বারবার তোমাকে ভালোবাসতে গিয়ে আঘাত করেছি হঠাৎ!
সব হিসেব শেষে যতোটা বুঝেছি -
তোমার যতো কষ্ট যেন আমি কেন্দ্রিক।
তোমার কান্নারেখা ঝরে পড়েছে মুখের সকল সীমানায়।
আমি হঠাৎ করেই আমার ব্যস্ততা ঘৃণা করছি আজ
বারবার তোমাকে ভালোবাসতে গিয়ে আঘাত করেছি হঠাৎ!
চিঠি
লিখে দিয়েছে তোমায় সমুদ্র।
খুব কাছ থেকে দেখতে চেয়েছে সে।
ভয়ানক উন্মাদ ঢেউ,বয়ে আসছে তোমার পায়ের দিকে।
তোমার কোমল স্পর্শ ফিরে পেতে চাইছে,ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে তোমার গা ছেড়ে দেয়া সুখ নিজের করে চাইছে।
তোমার রঙিন ঠোঁট,
স্নিগ্ধ শীতল চোখ-
আদিম বরষায় মাখার জন্য কেমন অস্থির হয়ে আছে!
তোমার হাসির সুর বারবার মনে পড়ছে।
অসীম দৃষ্টি,আর কিছু ক্লান্ত সময়
আকাশের গায়ে ঢলে পরা রোদের কিছু উৎসব,তোমার জন্যেই।
সমুদ্র দেখাচ্ছে তোমার প্রতিচ্ছবি।
তুমি যেন এমন কেউ,যাকে বহু বছর ভালবেসে গিয়েছি।
অনেক বার জড়িয়ে ধরেছি।
তুমি যেন সেই অসীম অপেক্ষা।
তোমাকে ভালোবাসেছি...
খুব কাছ থেকে দেখতে চেয়েছে সে।
ভয়ানক উন্মাদ ঢেউ,বয়ে আসছে তোমার পায়ের দিকে।
তোমার কোমল স্পর্শ ফিরে পেতে চাইছে,ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে তোমার গা ছেড়ে দেয়া সুখ নিজের করে চাইছে।
তোমার রঙিন ঠোঁট,
স্নিগ্ধ শীতল চোখ-
আদিম বরষায় মাখার জন্য কেমন অস্থির হয়ে আছে!
তোমার হাসির সুর বারবার মনে পড়ছে।
অসীম দৃষ্টি,আর কিছু ক্লান্ত সময়
আকাশের গায়ে ঢলে পরা রোদের কিছু উৎসব,তোমার জন্যেই।
সমুদ্র দেখাচ্ছে তোমার প্রতিচ্ছবি।
তুমি যেন এমন কেউ,যাকে বহু বছর ভালবেসে গিয়েছি।
অনেক বার জড়িয়ে ধরেছি।
তুমি যেন সেই অসীম অপেক্ষা।
তোমাকে ভালোবাসেছি...
অলংকরণঃ তাইফ আদনান